1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ফ্রি ফায়ার গেমে প্রেম, তরুণীর বিশ্বাস ভেঙে স্বর্ণ-টাকা নিয়ে চম্পট - Janatar Jagoron

ফ্রি ফায়ার গেমে প্রেম, তরুণীর বিশ্বাস ভেঙে স্বর্ণ-টাকা নিয়ে চম্পট

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩৬০ বার পঠিত
ফ্রি ফায়ার
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

প্রেমের অভিনয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতে ১৭ বছরের এক তরুণীর কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। এ ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ ইতোমধ্যেই দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। পাশাপাশি কিছু স্বর্ণালংকার এবং নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপ-পুলিশ কমিশনার রুনা লায়লা।

উপ-পুলিশ কমিশনার সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১২ ডিসেম্বর শ্রুতি রানী পাল নামে ১৭ বছরের এক তরুণী ঢাকা মেট্রোপলিটন লালবাগ থানায় একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অপহরণ, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ভিকটিমের পরিবারকে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেন।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবার পুলিশকে জানায় যে, প্রতারক নাফিজুর রহমানের সঙ্গে শ্রুতি রানী পালের পরিচয় হয় প্রায় দেড় মাস আগে অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার খেলার মাধ্যমে। সেখান থেকে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে নাফিজুর গত ১০ ডিসেম্বর শ্রুতির কাছ থেকে ২১ ভরি ২ আনা স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় এবং পালিয়ে যায়। এছাড়া, এর আগেও নাফিজুর নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে শ্রুতির কাছ থেকে আরও ৩৬ হাজার টাকা নেয়। এই ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে প্রযুক্তিগত সত্যতা পাওয়ার পর লালবাগ থানা পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে এবং মামলার কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় পাঠায়।

এর ভিত্তিতে এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সনজীত চন্দ্র নাথের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রহমতপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় প্রতারক চক্রের প্রধান সদস্য এবং মামলার প্রধান আসামি এয়ারপোর্ট থানাধীন পশ্চিম পাংশা এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে নাফিজুর রহমান এবং তার সহযোগী গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ এলাকার শামিউল আলমের ছেলে শফিউল আলম প্রিন্সকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তাদের হেফাজত থেকে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ১১ ভরি ১ আনা ২ রতি স্বর্ণালংকার, নগদ ৭১০ টাকা এবং প্রতারণায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

গণমাধ্যমে দেওয়া তথ্যে পুলিশ জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে প্রতারণা করে আসছে। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..